৭ কলেজের ভর্তির নির্দেশিকা – আবেদন করুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ যথাক্রমে (১) ঢাকা কলেজ (২) কবি নজরুল সরকারি কলেজ (৩) ইডেন মহিলা কলেজ (৪) বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ (৫) সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ (৬) সরকারি বাঙলা কলেজ ও (৭) সরকারি তিতুমীর কলেজ এর বিজ্ঞান শাখার অন্তর্ভুক্ত বিভাগসমূহে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হচ্ছে ।
ইডেন মহিলা কলেজ এবং বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের আসনসমূহ শুধু মহিলা এবং ঢাকা কলেজের আসনসমূহ শুধু পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। অধিভুক্ত কলেজসমূহের বিজ্ঞান ইউনিটভুক্ত বিভাগসমূহের ভর্তি কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। অর্জিত ডিগ্রিসমূহের সনদপত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদান করা হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো সুবিধা ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য হবে না ।
প্রাথমিক আবেদন
১। বিজ্ঞান ইউনিটের অধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য ০২ এপ্রিল ২০২৩ বিকাল ৪:০০ টা হতে ৩০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাত ১১:৫৯ টার মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২। ভর্তির আবেদন https://collegeadmission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে করতে হবে। ভর্তির আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীর উচ্চমাধ্যমিক এবং মাধ্যমিকের তথ্য, বর্তমান ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটার তথ্য এবং ওয়েবসাইটে উল্লিখিত সাইজের একটি ছবি প্রয়োজন হবে। আবেদনকারীকে দেশের ৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের (সোনালী, জনতা, রূপালী ও অগ্রণী) যেকোনো শাখায় অথবা অনলাইনে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের (বিকাশ/নগদ / রকেট ইত্যাদি) মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ফি বাবদ ৬০০/- (ছয়শত) টাকা জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র ও ফি জমার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য https://collegeadmission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা
৩। প্রার্থীকে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক বা সমমান এবং ২০২২ সালের বাংলাদেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় অথবা গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক অথবা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখায় আলিম অথবা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অথবা বিজ্ঞান শাখায় IAL / A-Level অথবা সমমানের বিদেশি ডিগ্রিধারী হতে হবে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) প্রাপ্ত জিপিএ- দ্বয়ের যোগফল ন্যূনতম ৭.০ হতে হবে। IGCSE O-Level এবং IAL / A- Level অথবা সমমানের বিদেশি সার্টিফিকেটধারীদের ক্ষেত্রে সমতা নিরূপণকৃত গ্রেড গণনা করা হবে। এছাড়া প্রার্থী যে বিভাগে ভর্তি হতে ইচ্ছুক ঐ বিভাগের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা অর্থাৎ নির্দেশিকার ১৮ নং ধারায় উল্লিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে।
৪। যেসকল প্রার্থী ২০১৭ সাল অথবা তার পরে পাসকৃত IGCSE/O-Level পরীক্ষায় অন্তত ৫টি বিষয়ে এবং ২০২২
সালের IAL/A-Level পরীক্ষায় বিজ্ঞান শাখা অথবা সমমান পরীক্ষায় অন্তত ২টি বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে (IGCSE/O- Level এবং IAL/A-Level -এর সর্বশেষ পরীক্ষার সালকে উক্ত পরীক্ষার পাসের বছর হিসেবে গণ্য করা হবে) এবং উপর্যুক্ত ৭টি বিষয়ের মধ্যে যারা ৪ (চার) টি বিষয়ে অন্তত B গ্রেড ও ৩ (তিন) টি বিষয়ে অন্তত C গ্রেড পেয়েছে তারা ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্য বিবেচিত হবে। কোনো বিষয়েই D গ্রেড গ্রহণযোগ্য হবে না। সমতা নিরূপণের জন্য নির্ধারিত ফিসহ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। O-Level এবং A-Level পরীক্ষায় প্রাপ্ত লেটার গ্রেডের গ্রেডপয়েন্ট নিম্নরূপ ধরে জিপিএ হিসাব করা হবে: A=5.0 B=4.0 C=3.5 এ-লেভেল/ও-লেভেল/সমমান বিদেশি পাঠ্যক্রমে বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সমতা নিরূপণের জন্য https://collegeadmission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে “সমমান আবেদন” বা “Equivalence Application” মেনুতে আবেদন করে তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। সমতা নিরূপনের পর প্রাপ্ত “Equivalence ID” ব্যবহার করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মত একই ওয়েবসাইটে লগইন করে ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করা যাবে।
ভর্তি পরীক্ষা
৫। ক) ভর্তিচ্ছু সকল প্রার্থীকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
খ) ভর্তি পরীক্ষা ১৭ জুন ২০২৩ শনিবার সকাল ১১:০০ টা থেকে ১২:০০ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গ) ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে হবে। মোট ১০০টি প্রশ্নের জন্য মোট নম্বর হবে ১০০ ।
ঘ) ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর ৪০ । যারা ৪০ এর কম নম্বর পাবে তাদেরকে ভর্তির জন্য বিবেচনা করা হবে না।
৬। ক) ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অনুসৃত পাঠ্যসূচি অনুযায়ী হবে এবং প্রত্যেক প্রার্থীকে পদার্থ ও রসায়নসহ মোট ৪টি বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতি বিষয়ের জন্য মোট নম্বর ২৫।
খ) যে সকল প্রার্থী উচ্চমাধ্যমিক অথবা সমমানের পর্যায়ে পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যয়ন করেছে তারা এ সকল বিষয়ে পরীক্ষা দিবে। তবে কোনো প্রার্থী ইচ্ছা করলে শুধুমাত্র উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ৪র্থ বিষয়ের পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি যেকোনো একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।
গ) যে সকল প্রার্থী উচ্চমাধ্যমিক অথবা সমমানের পর্যায়ে পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞান ৪টি বিষয়ের মধ্যে যেসব বিষয় (সর্বোচ্চ দু’টি) অধ্যয়ন করেনি, তাদেরকে সেগুলোর পরিবর্তে বাংলা অথবা ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে মোট চারটি বিষয় পূরণ করতে হবে।
ঘ) একজন শিক্ষার্থী কোন বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে তা নির্ভর করবে সে উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পর্যায়ে কোন কোন বিষয়ে অধ্যয়ন করেছে তার উপর। বিজ্ঞান বিভাগ হতে উচ্চমাধ্যমিকে পাসকৃতরা কেবলমাত্র বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। বিজ্ঞান বহির্ভূত বিষয়সমূহে ভর্তির জন্যও এটি প্রযোজ্য হবে।
৭। বিজ্ঞান ইউনিটের কোনো পরীক্ষার্থী কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট বা বাণিজ্য ইউনিটের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে না। তবে যদি কোনো শিক্ষার্থী বিজ্ঞান ইউনিট হতে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট এবং বাণিজ্য ইউনিটের কোনো বিভাগে ভর্তি হতে ইচ্ছুক হয় তাহলে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অনলাইনে বিভাগ পছন্দক্রম ফরম পূরণের সময় তা উল্লেখ করতে হবে এবং অধিভুক্ত কলেজের বিধি মোতাবেক মেধার ভিত্তিতে আসন সংখ্যা অনুযায়ী বিভাগ নির্ধারণ করে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
৮। প্রার্থীকে OMR উত্তরপত্রের ঘর পূরণ করার উপযোগী কালো কালির বলপেন আনতে হবে। প্রত্যেক প্রার্থীকে কেবল একটি MCQ পরীক্ষার উত্তরপত্র সরবরাহ করা হবে। অতএব উত্তরপত্র পূরণ করার সময় প্রার্থীদের সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে এবং পূরণ করতে গিয়ে যেকোনো ভুল-ভ্রান্তির দায়-দায়িত্ব প্রার্থীকেই বহন করতে হবে। উত্তরপত্রে Roll ও Serial না লিখলে বা ভুল লিখলে বা ঘষামাজা করলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
৯। পরীক্ষায় কোনো প্রকার ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না । পরীক্ষার হলে প্রার্থীর সঙ্গে ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ব্লু-টুথ বা টেলিযোগাযোগ করা যায় এরূপ যেকোনো প্রকার ডিভাইস রাখা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। পরীক্ষার হলে কোনো প্রার্থীর কাছে এরূপ কোনো প্রকার ডিভাইস পাওয়া গেলে, সে ব্যবহার করুক বা না করুক তাকে বহিষ্কার করা হবে।
১০। ভর্তি পরীক্ষার ৪৮ ঘন্টা পূর্ব থেকে বিস্তারিত আসন বিন্যাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে (http://collegeadmission.eis.du.ac.bd) দেখা যাবে। এছাড়া আবেদনকারী প্রবেশপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী এসএমএস এর মাধ্যমে নিজ নিজ আসন বিন্যাস জানতে পারবে।
১১। পরীক্ষার দিন পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট পূর্বেই পরীক্ষা কেন্দ্রের নির্দিষ্ট আসনে আসন গ্রহণ করতে হবে
১২। কোনো প্রার্থী অন্যের ছবি/নম্বরপত্র ব্যবহার করলে অথবা অন্য যেকোনো অসদুপায় অবলম্বন করলে তার পরীক্ষা বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৩। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের কোনো রিপোর্ট থাকলে প্রার্থীর পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য হবে । ১৪। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।
মেধাতালিকা ও ভর্তি
১৫। ক) মোট ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীদের অর্জিত মেধাস্কোরের ক্রমানুসারে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এজন্য মাধ্যমিক/O-Level বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএ- কে ২ দিয়ে গুণ এবং উচ্চমাধ্যমিক/A- Level বা সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত/হিসাবকৃত জিপিএকে ২ দিয়ে গুণ করে; এই দুইয়ের যোগফল ভর্তি পরীক্ষায় ১০০-তে প্রাপ্ত নম্বরের সাথে যোগ দিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে মেধাস্কোর নির্ণয় করে তার ক্রমানুসারে মেধাতালিকা তৈরি করা হবে।
খ) মেধাস্কোর সমান হলে নিম্নলিখিত ক্রমানুসারে মেধাক্রম তৈরি করা হবে : (১) ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত স্কোর;
(২) HSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA without 4th Subject;
(৩) HSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA with 4th subject;
(৪) SSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA without 4th Subject; (৫) SSC/সমমানের পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA with 4th subject।
১৬। মেধাস্কোরের ভিত্তিতে নির্ণীত মেধাক্রম অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধাতালিকা ও ফলাফল ভর্তি পরীক্ষার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে (http://collegeadmission.eis.du.ac.bd) প্রকাশ করা হবে। প্রার্থী এসএমএস-এর মাধ্যমেও ফলাফল জানতে পারবে।
১৭। মেধাতালিকা প্রকাশের তারিখ থেকে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কার্জন হল এলাকার অগ্রণী ব্যাংকের শাখায় ১০০০/- (এক হাজার) টাকা নিরীক্ষা ফি জমা দিয়ে জমা রশিদসহ ‘বিজ্ঞান ইউনিট’ প্রধান (ডিন, বিজ্ঞান অনুষদ) বরাবর আবেদন করে প্রার্থীর উত্তরপত্র নিরীক্ষা করানো যাবে। নিরীক্ষার ফলে প্রার্থীর অর্জিত নম্বরের পরিবর্তন হলে নিরীক্ষা ফি ফেরৎ দেওয়া হবে এবং মেধা তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নেওয়া হবে।
১৯। মেধা তালিকা প্রকাশের পর নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে অনলাইনে কলেজ ও বিষয় পছন্দকরণ ফরম (College and Subject Choice ) পূরণ করতে হবে। পরবর্তীতে Choice এবং ভর্তি পরীক্ষার মেধাক্রম ও ভর্তির যোগ্যতা অনুসারে বিভাগ বণ্টনের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্তভাবে ভর্তির জন্য মনোনীত প্রার্থীর ক্ষেত্রে SSC এবং HSC এর মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা রাখা হবে।
২০। কোটায় ভর্তির বিষয়: ওয়ার্ড, উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, শারীরিক, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস ও ট্রান্সজেন্ডার/হিজড়া), হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি/নাতনী কোটা হিসাবে প্রার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। এছাড়া বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে অন্যান্য শর্ত
বহাল থাকবে।
ক) অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীর ওয়ার্ড কোটা কেবল ছেলে/মেয়ে/স্বামী/স্ত্রী-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
খ) মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি/নাতনী প্রার্থীদের জন্য ৫% আসনে ভর্তি করা হবে।
গ) উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রার্থীদের জন্য ১% আসনে ভর্তি করা হবে।
ঘ) প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, শারীরিক, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস ও ট্রান্সজেন্ডার/হিজড়া) প্রার্থীদের
জন্য ১% আসনে ভর্তি করা হবে।
ঙ) হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় প্রার্থীদের জন্য ১% আসনে ভর্তি করা হবে।
চ) খেলোয়াড় কোটায় শুধু বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) থেকে আগত ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য বিষয় বন্টন করা হবে।
*ওয়ার্ড কোটাসহ অন্যান্য কোটায় ভর্তিকৃত আসন সংখ্যা নির্ধারিত আসন সংখ্যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- কোটায় ভর্তি প্রার্থীদেরকে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিস থেকে ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র প্রদর্শনপূর্বক নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতে হবে।
- প্রার্থী যে কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক; অনলাইনে ভর্তি ফরম পূরণের সময়ে সেই কোটায় অবশ্যই টিক (√) চিহ্ন দিতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর আবেদনপত্রের সাথে নিম্নবর্ণিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে জমা প্রদান করতে হবে।
- ওয়ার্ড কোটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সাত কলেজের অধ্যক্ষ/ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র। • উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে স্ব-স্ব উপজাতি/ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রধান/জেলা প্রশাসকের সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।
- হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় কোটার ক্ষেত্রে হরিজন ও দলিত সম্প্রদায় সংগঠন প্রধানের সনদপত্র।
প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, শারীরিক, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস ও ট্রান্সজেন্ডার/হিজড়া) ক্ষেত্রে সঠিকতার সনদপত্র।
- মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি/নাতনী কোটার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যুকৃত সনদপত্র অথবা ১৯৯৭ সন থেকে ২০০১ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অধীনে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র।
- খেলোয়াড় কোটার (শুধুমাত্র বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘বিকেএসপি’ থেকে HSC বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীদের) ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।
২১। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের রিপোর্ট থাকলে প্রার্থীর পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য হবে। ২২। ভর্তি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে এমন কি ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরও ভর্তির জন্য প্রদত্ত তথ্যাদিতে যদি কোনো গরমিল ধরা পড়ে অথবা যদি দেখা যায় যে, প্রার্থীর ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা নেই, তাহলে প্রার্থীর ভর্তি- পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি, ভর্তি-পরীক্ষা, বিভাগ মনোনয়ন এবং ভর্তি বাতিল করা হবে। ২৩। ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম-নীতির যেকোনো ধারা ও উপধারা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন ও পুনঃসংযোজনের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
আবেদনের তারিখ: ০২ এপ্রিল ২০২৩ বিকাল ৪:০০ টা হতে ৩০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখ রাত ১১:৫৯ টা পর্যন্ত পরীক্ষার তারিখ: ১৭ জুন ২০২৩ শনিবার সকাল ১১:০০ টা থেকে ১২:০০ টা পর্যন্ত
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল দ্রুততম সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে (https://collegeadmission.eis.du.ac.bd) প্রকাশ করা হবে।